হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিষয়টি সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে CNN।
মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মার্কিন সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের একাংশ, বিশেষ করে পেন্টাগনের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, কঠোর অবস্থানের পক্ষে মত দিচ্ছেন। তাদের মতে, সামরিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ইরানকে দুর্বল করে পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য করা যেতে পারে।
তবে প্রশাসনের অন্য একটি অংশ এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা মনে করছে, আলোচনার জন্য শেষবারের মতো সুযোগ দেওয়া উচিত।
এদিকে কিছু মার্কিন কর্মকর্তা পাকিস্তানের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের ধারণা, ইসলামাবাদ হয়তো তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্প প্রশাসনের অসন্তোষ পুরোপুরি তুলে ধরেনি। বরং ইরানের অবস্থান সম্পর্কে ওয়াশিংটনকে তুলনামূলক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।
এর আগে সোমবার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে ইরানের দেওয়া প্রতিক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প। তিনি সেই প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করেন।
জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া তাদের প্রস্তাব কোনোভাবেই অতিরঞ্জিত নয়। একই সঙ্গে তারা ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক দাবি তোলার অভিযোগও আনে।














